সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

रामेन्द्रसुन्दर-त्रिवेदी

रामेन्द्रसुन्दर-त्रिवेदी महोदयः विज्ञानविभागस्य छात्र आसीत्। तस्य वेदविषये पारदर्शीता अत्यन्तं सुप्रसिद्धम्। तेन विरचितं ग्रन्थद्वयं विशेषरूपेण उल्लेखयोग्यम्। तद्यथा –  क. वङ्गानुवादं तथा टिप्पणीसह ऐतरेयब्राह्मणम्,  ख. वैदिक-यज्ञ सम्वन्धितं ग्रन्थम्। |

"টুনটুনির বই আসলে পশুপক্ষীর আড়ালে মানুষের কথা" । – আলোচনা করো।

উত্তর :        টুনটুনির বই গল্পে মোট ২৭ টি গল্প আছে প্রতিটি গল্পের মূল চরিত্র হলে পশু-পাখি কীট-পতঙ্গ সরিসৃপ আবার কখনও বা মানুষ। তারা সবাই একে অপরের ভাষা বোঝে মানুষের মত কথা কয় মানুষেরসঙ্গে কথা বলে। প্রসঙ্গত বলতে হয় রূপকথা উপকথা প্রভৃতি সাহিত্য শুধু কল্পনা মাত্র নয় সেখানে আছে বাস্তবতা। কেননা বাস্তবতা ছাড়া কোন সাহিত্যই হয় না। রূপকথার থাকে বাস্তবকে অবলম্বন করে সুদুরপ্রসারী কল্পনার বিস্তার আর উপকথায় থাকে পশু পাখি প্রভৃতি মনুষ্যত্বের গল্প কাহিনীর রুপাকে মানুষের জীবনের বাস্তব চরিত্রাঙ্কন। উপেন্দ্রকিশোর টুনটুনির বই লিখতে গিয়ে শিশু শিক্ষার আসর ফাঁদেন নি। তাদের নির্ভেজাল আনন্দ দেওয়ার জন্য অবাস্তবকে রসের মোড়কে ও কতকথার গুণে প্রায় দৃশ্যমান বাস্ত । মতো করে পরিবেশন করে শিশুদের বিস্ময়ে আবিষ্ট করে তোলার জন্য একের পর এক গল্পগুলো লিখে গেছেন তাতে নীতি শিক্ষা বিশেষ নেই। টুটুনির বই-এর বিশেষত্ব হলো শক্তি বা কলেবরে বিরাটত্বের জয় নয় বুদ্ধির প্রখরতায় প্রতুৎপন্নমতিত্ব দ্বারা বিপদ মুক্ত হওয়া যায়। শক্তির মদ মত্ততায় অহংকারী হয়ে উঠলে তার পরাজয় বা পতন অবশ্যম্ভাবীই। ক্ষুদ্র প্রা...

পাটিগণিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন চিহ্ন ও তাদের অর্থ

1. = চিহ্ন – সমতার চিহ্ন ; ( a = b-র অর্থ a ও b সমান।)  2. ≡ চিহ্ন — (সর্বতভাবে সমান বোঝায়; a ≡ b র অর্থ a ও b অভিন্ন।)   3. ≅ চিহ্ন – সর্বসমতা বোঝায়; (a ≅ b-র অর্থ a ও b সর্বসম।)  4. ~ চিহ্ন – অন্তর চিহ্ন ; (a ~ b-র অর্থ a ও b-এর মধ্যে যেটি বৃহত্তর তাহা হইতে ক্ষুদ্রতরটির অন্তরফল।)  5. : চিহ্ন – অনুপাত চিহ্ন ; (a : b)  6. :: চিহ্ন – সমানুপাতের চিহ্ন ; (a:b :: c : d-র অর্থ ad = bc)  7. √ চিহ্ন – মূলসূচক চিহ্ন ; ( √a-র অর্থ a-এর বর্গমূল, ³√a-র a -এর অর্থ ঘনমূল।)  8. ∝ চিহ্ন – ভেদচিহ্ন ; (a ∝ b)  9. % চিহ্ন – শতকরা চিহ্ন ; ( a%-র অর্থ শতকরা ৫ ভাগ।)  10. ≠ চিহ্ন – অসমান চিহ্ন ; (a ≠ b-র অর্থ a ও b সমান নয় ৷)  11. > চিহ্ন – Greater than; (a> b-র অর্থ b অপেক্ষা ৫ বৃহত্তর।) 12. < চিহ্ন – Less than; (a < b-র অর্থ b অপেক্ষা a ক্ষুদ্রতর)  13. ≯ চিহ্ন – Not greater than; (a ≯ b-র অর্থ b অপেক্ষা a বড় নয়) 14. ≮ চিহ্ন – Not less than; (a ≮b-র অর্থ b অপেক্ষা a ছোট নয়)  15. ≥ চিহ্ন – Greater than equal to; (a ≥ b-র...

পাটিগণিত বিষয়ে কিছু ইংরেজী শব্দের বাংলা

পাটিগণিত বিষয়ে কিছু ইংরেজী শব্দের বাংলা :– Integer/digit – অঙ্ক Number – সংখ্যা Prime number – মৌলিক সংখ্যা  Perfect square – পূর্ণবর্গ Square root – বর্গমূল Cube – ঘন Cube root – ঘনমূল Sum – যোগফল Least number – ক্ষুদ্রতম সংখ্যা Greatest number – বৃহত্তম সংখ্যা Numerical – লব Denominator – হর Product গুণফল Divisor – ভাজক Dividend – ভাজ্য Quotient – ভাগফল Remainder – ভাগশেষ Divisible – বিভাজ্য Division – ভাগ Consecutive — পর পর Even – জোড় Odd – বিজোড় Ascending order – ছোট থেকে বড় Descending order – বড় থেকে ছোট Cost price – ক্রয়মূল্য Selling price – বিক্রয়মূল্য Profit – লাভ Loss – ক্ষতি List/marked/catalogue/Advertised price – ধার্যমূল্য  Down stream – অনুকূলে গতি Up stream – প্রতিকূলে গতি Maximum marks = Full marks – পূর্ণ নম্বর Score – এককুড়ি (২০টি) Outlay – বিনিয়োজিত অর্থ Later – পরে Reduce – হ্রাস করা Principal/Sum – আসল Amount – সুদ-আসল L.C.M. (Lowest Common Multiple) – ল.সা.গু. H.C.F. (Highest Common Farctor) – গ.সা.গু. Fraction – ভগ্নাংশ Decimal fraction – দশমি...

বাঘমামা আর শিয়ালভাগ্নে

 বাঘমামা আর শিয়ালভাগ্নে শিয়াল ভাবে, ‘বাঘমামা, দাঁড়াও তোমাকে দেখাচ্ছি!’ এখন সে আর নরহরি দাসের ভয়ে তার পুরনো গুর্তে যায় না, সে একটা নতুন গর্ত খুঁজে বার করেছে। সেই গর্তের কাছে একটা কুয়ো ছিল। একদিন শিয়াল নদীর ধারে একটা মাদুর দেখতে পেয়ে, সেটাকে টেনে তার বাড়িতে নিয়ে এল। এনে, সেই কুয়োর মুখের উপর তাকে বেশ করে বিছিয়ে বাঘকে গিয়ে বললে, 'মামা, আমার নতুন বাড়ি দেখতে গেলে না?’ শুনে বাঘ তখনি তার নতুন বাড়ি দেখতে এল। শিয়াল তাকে সেই কুয়োর মুখে বিছানো মাদুরটা দেখিয়ে বললে, “মামা, একটু বস, জলখাবার খাবে।' জলখাবারের কথা শুনে বাঘ ভারি খুশি হয়ে, লাফিয়ে সেই মাদুরের উপর বসতে গেল, আর অমনি সে কুয়োর ভিতরে পড়ে গেল। তখন শিয়াল বললে, ‘মামা, খুব করে জল খাও, একটুও রেখো না যেন!’ সেই কুয়োর ভিতরে কিন্তু বেশি জল ছিল না, তাই বাঘ তাতে ডুবে মারা যায় নি। সে আগে খুবই ভয় পেয়েছিল, কিন্তু শেষে অনেক কষ্টে উঠে এল। উঠেই সে বললে, ‘কোথায় গেলিরে শিয়ালের বাচ্চা? দাঁড়া, তোকে দেখাচ্ছি।' কিন্তু শিয়াল তার আগেই পালিয়ে গিয়েছিল, তাকে কিছুতেই খুঁজে পাওয়া গেল না। তারপর থেকে বাঘের ভয়ে শিয়াল আর তার বাড়ি...

পান্তাবুড়ির কথা

   পান্তাবুড়ির কথা  এক যে ছিল পান্তাবুড়ি, সে পান্তাভাত খেতে বড্ড ভালোবাসত। এক চোর এসে রোজ পান্তাবুড়ির পান্তাভাত খেয়ে যায়, তাই বুড়ি লাঠি ভর দিয়ে রাজার কাছে নালিশ করতে চলল। পান্তাবুড়ি পুকুরধার দিয়ে যাচ্ছিল। একটা শিঙিমাছ তাকে দেখতে পেয়ে বললে, ‘পান্তাবুড়ি, কোথায় যাচ্ছ?’ পান্তাবুড়ি বললে, ‘চোরে আমার পান্তাভাত খেয়ে যায়, তাই রাজার কাছে নালিশ করতে যাচ্ছি!’ পান্তা-বুড়ি চলেছে শিঙিমাছ বললে, 'ফিরে যাবার সময় আমাকে নিয়ে যেও, তোমার ভালো হবে।' পান্তা-বুড়ি বললে, 'আচ্ছা।' তারপর পাস্তাবুড়ি বেলতলা দিয়ে যাচ্ছে। একটা বেল মাটিতে পড়ে ছিল, সে বললে, ‘পাস্তাবুড়ি, কোথায় যাচ্ছ?”  পাস্তাবুড়ি বললে, ‘চোরে আমার পাস্তাভাত খেয়ে যায়, তাই রাজার কাছে নালিশ করতে যাচ্ছি।' বেল বললে, ‘ফিরে যাবার সময় আমাকে নিয়ে যেও, তোমার ভালো হবে।'  পাস্তাবুড়ি বললে, 'আচ্ছা।” তারপর পাস্তাবুড়ি পথের ধারে খানিকটা গোবর দেখতে পেলে। গোবর বললে, ‘পাস্তাবুড়ি, কোথায় যাচ্ছ?’ পাস্তাবুড়ি বললে, ‘চোরে আমার পাস্তাভাত খেয়ে যায়, তাই রাজার কাছে নালিশ করতে যাচ্ছি।'  গোবর বললে, “ফিরে যাবার সময় আমাক...

গল্প – পোস্ট্ মাস্টার, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

         পোস্ট মাস্টার প্রথম কাজ আরম্ভ করিয়াই উলাপুর গ্রামে পোস্ট্ মাস্টারকে আসিতে হয়। গ্রামটি অতি সামান্য। নিকটে একটি নীলকুঠি আছে, তাই কুঠির সাহেব অনেক জোগাড় করিয়া এই নূতন পোস্ট্ আপিস স্থাপন করহিয়াছে।  আমাদের পোস্টমাস্টার কলিকাতার ছেলে। জলের মাছকে ডাঙায় তুলিলে যেরকম হয়, এই গণ্ডগ্রামের মধ্যে আসিয়া পোস্টমাস্টারেরও সেই দশা উপস্থিত হইয়াছে। একখানি অন্ধকার আটচালার মধ্যে তাহার আপিস অদুরে একটা পানাপুকুর এবং তাহার চারি পাড়ে জঙ্গল। কুঠির গোমস্তা প্রভৃতি যে-সকল কর্মচারী আছে তাহাদের ফুরসত প্রায় নাই এবং তাহারা ভদ্রলোকের সহিত মিশিবার উপযুক্ত নহে।  বিশেষত কলিকাতার ছেলে ভালো করিয়া মিশিতে জানে না। অপরিচিত স্থানে গেলে, হয় উদ্ধত নয় অপ্রতিভ হইয়া থাকে। এই কারণে স্থানীয় লোকের সহিত তাঁহার মেলামেশা হইয়া উঠে না। অথচ হাতে কাজ অধিক নাই। কখনো কখনো দুটো একটা কবিতা লিখিতে চেষ্টা করেন। তাহাতে এমন ভাব ব্যক্ত করিয়াছেন যে, সমস্ত দিন তরুপল্লবের কম্পন এবং আকাশের মেঘ দেখিয়া জীবন বড়ো সুখে কাটিয়া যায় কিন্তু অন্তর্যামী জানেন, যদি আরব্য উপন্যাসের কোনো দৈত্য আসিয়া এক রা...

গল্প– দেনাপাওনা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 দেনাপাওনা পাঁচ ছেলের পর যখন এক কন্যা জন্মিল তখন বাপ-মায়ে অনেক আদর করিয়া তাহার নাম রাখিলেন নিরুপমা। এ গোষ্ঠীতে এমন শৌখিন নাম ইতিপূর্বে কখনো শোনা যায় নাই। প্রায় ঠাকুর-দেবতার নামই প্রচলিত ছিল—গণেশ কার্তিক পার্বতী তাহার উদাহরণ। এখন নিরুপমার বিবাহের প্রস্তাব চলিতেছে। তাহার পিতা রামসুন্দর মিত্র অনেক খোঁজ করেন কিন্তু পাত্র কিছুতেই মনের মতন হয় না। অবশেষে মস্ত এক রায়বাহাদুরের ঘরের একমাত্র ছেলেকে সন্ধান করিয়া বাহির করিয়াছেন। উক্ত রায়বাহাদুরের পৈতৃক বিষয়-আশয় যদিও অনেক হ্রাস হইয়া আসিয়াছে কিন্তু বনেদী ঘর বটে। বরপক্ষ হইতে দশ হাজার টাকা পণ এবং বহুল দানসামগ্রী চাহিয়া বসিল। রামসুন্দর কিছুমাত্র বিবেচনা না করিয়া তাহাতেই সম্মত হইলেন; এমন পাত্র কোনোমতে হাতছাড়া করা যায় না। কিছুতেই টাকার জোগাড় আর হয় না। বাঁধা দিয়া, বিক্রয় করিয়া, অনেক চেষ্টাতেও হাজার ছয়-সাত বাকি রহিল। এ দিকে বিবাহের দিন নিকট হইয়া আসিয়াছে। অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহসভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। র...

গল্প - ছুটি , রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 ছুটি   বালকদিগের সর্দার ফটিক চক্রবর্তীর মাথায় চট্ করিয়া একটা নূতন ভাবোদয় হইল নদীর ধারে একটা প্রকাণ্ড শালকাষ্ঠ মাস্তলে রূপান্তরিত হইবার প্রতীক্ষায় পড়িয়া ছিল। স্থির হইল, সেটা সকলে মিলিয়া গড়াইয়া লইয়া যাইবে।  যে ব্যক্তির কাঠ, আবশ্যক কালে তাহার যে কতখানি বিস্ময় বিরক্তি এবং অসুবিধা বোধ হইবে, তাহাই উপলব্ধি করিয়া বালকেরা এ প্রস্তাবে সম্পূর্ণ অনুমোদন করিল।  কোমর বাঁধিয়া সকলেই যখন মনোযোগের সহিত কার্যে প্রবৃত্ত হইবার উপক্রম করিতেছে এমন সময়ে ফটিকের কনিষ্ঠ মাখনলাল গম্ভীরভাবে সেই গুঁড়ির উপরে গিয়া বসিল ছেলেরা তাহার এইরূপ উদার ঔদাসীন্য দেখিয়া কিছু বিমর্ষ হইয়া গেল।  একজন আসিয়া ভয়ে ভয়ে তাহাকে একটু-আধটু ঠেলিল, কিন্তু সে তাহাতে কিছুমাত্র বিচলিত হইল না এই অকাল-তত্ত্বজ্ঞানী মানব সকলপ্রকার ক্রীড়ার অসারতা সম্বন্ধে নীরবে চিন্তা করিতে লাগিল।  ফটিক আসিয়া আস্ফালন করিয়া কহিল, “দেখ্‌, মার খাবি। এইবেলা ওঠ্।” সে তাহাতে আরো একটু নড়িয়াচড়িয়া আসনটি বেশ স্থায়ীরূপে দখল করিয়া লইল। এরূপ স্থলে সাধারণের নিকট রাজসম্মান রক্ষা করিতে হইলে অবাধ্য ভ্রাতার গণ্ডদেশে অনতিবিলম্...

“বাঘ মামা আর শিয়াল ভাগ্নে” -এর সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর।

 সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর প্রশ্ন : শিয়াল তার পুরনো গর্তে যায় না কেন?  উত্তর : শিয়াল নরহরি দাস-এর ভয়ে পুরনো গড়তে আর ফিরে যায়নি।  প্রশ্ন : শিয়াল ভাবে, বাঘ মামা দাড়াও তোমাকে দেখাচ্ছি। – শিয়াল বাঘকে কিভাবে জব্দ করেছিল? উত্তর : শিয়ালের গর্তের কাছে একটি কুয়ো ছিল। নদীর ধার থেকে একটি মাদুর টেনে নিয়ে ওর মুখের উপর তাকে বেশ করে বিছিয়ে বাঘকে বললো মাদুরের উপর বসতে তাকে সে জলখাবার খেতে দেবে। দেখ না বাঘ লাফিয়ে মাদুরের উপর বসতে গেল সঙ্গে সঙ্গে সে কুয়োর ভেতর পড়ে গেল। তখন শিয়াল মামাকে বলে 'মামা খুব করে জল খাও, একটুও রেখো না যেন।' এইভাবে শিয়াল বাঘকে জব্দ করেছিল। প্রশ্ন : তাই বাঘ তাতে ডুবে মারা যায়নি—বাঘ কোথায় ডুবে গিয়েছিল? সে মারা যায়নি কেন? উত্তর : শিয়ালের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে একটি কুয়োর মধ্যে পড়ে গিয়েছিল। কুয়োর ভিতরে বেশি জল ছিল না তাই বাঘ ডুবে মারা যায়নি।  প্রশ্ন : বেচারি না খেয়ে না খেয়ে শেষে আধমরা হয়ে গেল।—কার কেন এরূপ অবস্থা হয়? উত্তর ঃ শিয়াল বাঘের হাত থেকে বাঁচতে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়াতে লাগল। ঠিকমতো সে খেতে পেল না। শেষে সে আধমরা হয়ে গেল। প্রশ্ন : ...

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর “টুনটুনির বই” -এর ‘নরহরি দাস’ গল্পে বাঘ ও শিয়ালের কিরুপ পরিণতি হয়েছিল বিষয়বস্তু অবলম্বনে লেখ।

 • রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর উত্তর ঃ নরহরি দাস গল্পে আমরা দেখি যে একটি ছোট্ট ছাগলছানা গর্তের ভিতরে থাকতো সে বাইরে বের হতে পারত না। যখন সে একটু বড় হল তখন সে গর্তের বাইরে বেরোলো। তার সঙ্গে দেখা হলো এক মস্ত ষাঁড়-এর। ষাঁড়টিকে দেখে সে মনে করল ওটা একটা বড় ছাগল খুব ভালো জিনিস খেয়ে সে বড় হয়েছে। সে যাঁড়-এর কাছে গিৱে জিজ্ঞেস করল ষাঁড় কি খায়?— ষাঁড় উত্তরে জানায় সে ঘাস খায়। ছাগল বলে তার মাঙ ঘাস খায় কিন্তু তার মত এত বড় নয় কেন। তখন ষাঁড় বলল তার মায়ের থেকে সে অনেক বেশি ঘাস খায়।        ছাগলছানা তখন জানতে চায় সেই ঘাস কোথায় পাওয়া যায়। ষাঁড় তখন দেখায় বনের ভিতর ঘাস পাওয়া যায়। সেই বনের ভিতরে ষাঁড় ছাগল ছানা কে নিয়ে গেল। সেই বনের ভিতরে খুব চমৎকার ঘাস ছিল। ছাগলছানার পেটে যত ঘাস ধরল সে তত ঘাস খেলো। ঘাস খেয়ে তার পেট এমন ভারী হয়ে গেল সে আর চলতে পারল না। তখন সে বনের মধ্যে একটি গর্ত দেখতে পেয়ে তার ভেতর ঢুকে পড়লো। সেই গর্তে এক শিয়াল বসবাস করত সে তখন বাঘ মামার বাড়ি নিমন্ত্রণ খেতে গিয়েছিল। সে কিরে এসে দেখল গর্তের ভিতর কিরকম একটা জতু ঢুকে রয়েছে। অন্ধকারের ভেতর ভ...

‘টুনটুনির বই’-এর “নরহরি দাস” গল্প অবলম্বনে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

প্রশ্ন : গল্পের ছাগল ছানা কোথায় থাকতো? উত্তর : মাঠের পাশে বন আছে, বনের ধারে মস্ত পাহাড়, সেইখানে একটা গর্তের ভিতর একটি ছাগল ছানা থাকত। প্রশ্ন : ছাগলছানাটি গর্তের বাইরে যেতে পারত না কেন? উত্তর ঃ ছাগল ছাড়াতে খুব ছোট ছিল তাই সে গর্তের বাইরে বের হতে পারত না।  প্রশ্ন ঃ ছাগলছানাটি গর্তের বাইরে বের হতে চাইলে তার মা কি বলতো? উত্তর : ছাগলছানাটি গর্তের বাইরে বেরোতে চাইলে তার মা বলতো বাইরে গেলে ভালুক ধরবে বাঘে নিয়ে যাবে কিংবা সিংহ খেয়ে ফেলবে।  প্রশ্ন : তা শুনে তার ভয় হতো আর সে চুপ করে গর্তের ভিতরে বসে থাকতো। –কি শুনে ছাগল ছানা ভয় লাগতো? উত্তর : ছাগলছানাটি গর্তের বাইরে বেরোতে চাইলে তার মা বলতো বাইরে গেলে ভালুক ধরবে বাঘে নিয়ে যাবে কিংবা সিংহ খেয়ে ফেলবে। এই কথা শুনে ছাগলছানাটি ভয় পেত। প্রশ্ন : ছাগল ছানা আর এত বড় জন্তু কখনো দেখেনি। এখানে কার কথা বলা হয়েছে? উত্তর : এখানে একটি ষাঁড় এর কথা বলা হয়েছে। প্রশ্ন : শেষে একদিন একেবারে গর্তের বাইরে চলে এলো। কোন সময়ের কথা বলা হয়েছে? উত্তর: ছাগলছানা যখন বড় হল তখন তার ভয় কমে গেল তখন তার মা বাইরে চলে গেল সে গর্তের ভিতর উঁকি মেরে দেখত। শেষে...

“টুনটুনি আর রাজার কথা” গল্প অবলম্বনে টুনটুনির আর রাজার কথা গল্পে রাজার পরিণতি কি হয়েছিল আলোচনা করো।

 রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর   প্রশ্নঃ টুনটুনির আর রাজার কথা গল্পে রাজার পরিণতি কি হয়েছিল আলোচনা করো।  অথবা টুনটুনিকে জব্দ করার জন্য রাজামশাই নানাবিধ চেষ্টা করে অবশেষে জব্দ হয়ে গেলেন। বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করে তা দেখাও। উত্তরঃ টুনটুনি আর রাজার কথা গল্প দেখা গেছে টুনটুনি রাজার একটি টাকা বাড়িতে নিয়ে আসে। সেটি রাজার সহ্য হয় না। রাজার লোক দিয়ে সেই টাকা নিয়ে আসে। তখন টুনটুনি বলে—রাজা বড় ধনে কাতর/ টুনির ধন নিলে বাড়ির ভিতর। এই কথা শোনার পর রাজা একটু নরম হন। রাজার লোক গিয়ে টাকাটা টুনটুনিকে ফেরত দেয়। টাকা ফিরে পেয়ে আনন্দে বলে ওঠে রাজা ভারি ভয় পেল। টুনির টাকা ফিরিয়ে দিল। এই কথা শুনে রাজা বেজায় রেগে ওঠেন। রাজা তার লোককে নির্দেশ দেন টুনটুনিকে ধরে আনতে সে টুনটুনি ভাজা খাবে। রাজার লোক টুনটুনিকে ধরে নিয়ে এসে রাজার কাছে তুলে দেয়। রাজা টুনটুনিকে মুঠোয় করে নিয়ে বাড়ির ভিতর রানীদের বলে পাখিটাকে ভেজে তাকে খেতে দিতে। সাতজন রানী মিলে সেই পাখিটাকে দেখতে থাকে। এইভাবে একজন আরেকজনকে হাতে দিতে গিয়ে পাখিটা পালিয়ে যায়। তখন রাজার ভয়ে রানীরা রাজাকে একটি ব্যাঙ ভেজে খেতে দেয়। রাজা ব্...

"টুনটুনি আর রাজার কথা" গল্প অবলম্বনে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

 টুনটুনি আর রাজার কথা • সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর প্রশ্ন : টুনটুনির বাসা কোথায় ছিল?  উত্তর : রাজার বাগানের কোণে। প্রশ্ন : রাজা কিসের টাকা রোদে শুকোতে দিয়েছিল?  উত্তর : রাজা সিন্দুকের টাকা রোদে শুকোতে দিয়েছিল। প্রশ্ন : টুনটুনি রাজা টাকা পেয়ে কি বলতে লাগলো?  উত্তর ঃ রাজার ঘরে যে ধন আছে, আমার ঘরে সে ধন আছে। এই কথা বলতে লাগলো। প্রশ্ন : সকলে হাতজোড় করে বললে–সকলে হাতজোড় করে কি বলল?  উত্তর : সকলেই হাতজোড় করে রাজামশাইকে বলল টুনটুনি পাখি বলছে রাজার ঘরে ধন আছে ওর ঘরেও নাকি সেই ধন আছে। প্রশ্ন : শুনে রাজা খিলখিল করে হেসে বললেন—কি বললেন ?  উত্তর : রাজা বললেন টুনটুনির বাসায় কি আছে দেখে আসতে।  প্রশ্ন : টুনটুনির বাসায় কি ছিল? উত্তর : টুনটুনির বাসা ছিল রাজার একটি টাকা। প্রশ্ন : টুনটুনির বাসা থেকে রাজার লোক টাকাটি নিয়ে আসার পর টুনটুনি কি বলে?  উত্তর: টুনটুনির বাসা থেকে রাজার লোক টাকাটি নিয়ে আসার পর টুনটুনি দুঃখে বলতে লাগলো রাঙ্গ বড় ধনে কাতর। টুনির ধন নিলে বাড়ির ভিতর। প্রশ্ন : টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার পর টুনটুনি আনন্দে কি বলে ওঠে? উত্তর : টুনটুনি আনন্দে বলে ওঠে...

"টুনটুনি আর বিড়ালের কথা" গল্প থেকে আমরা যা জানতে পারি, তা গল্প অবলম্বনে সকল সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর।।

 টুনটুনির বই – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী   টুনটুনির আর বিড়ালের কথা © সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর প্রশ্ন : টুনটুনি কোথায় কিভাবে বাসা বেধেছে?  উত্তর : টুনটুনি গৃহস্থের বেগুন গাছের পাতা ছোঁট দিয়েসেলাই করে বাসা বেধেছে। প্রশ্ন : টুনটুনির কটি ছানা ছিল? তারা কি করত?  উত্তর : টুনটুনির তিনটি ছোট্ট ছোট্ট ছানা ছিল।তারা উড়তে পারত না, চোখ মেলতে পারত না। খালি হা করে চি চি করত। প্রশ্ন : সে খালি ভাবে টুনটুনির ছানা খাব। এখানে কার কথা বলা হয়েছে?  উত্তরঃ এখানে গৃহস্থের বিড়ালের কথা বলা হয়েছে। প্রশ্ন : টুনটুনি তার ছানাদের কি করতে বলে? উত্তর : টুনটুনি তার ছানাদের বলে উড়ে অন্য গাছের ডালে বসতে।  প্রশ্ন : তখন টুনটুনি পা উচিয়ে তাকে লাথি দেখিয়ে বললে–কে কাকে লাথি দেখিয়ে বলল? উত্তর : টুনটুনি পাখি বিড়ালকে লাথি দেখিয়ে বলল দূর হ লক্ষী ছাড়া বিড়ালনী।  প্রশ্ন : দুষ্টু বিড়ালের পরিণাম কি হয়েছিল? উত্তর : দুষ্টু বিড়াল টুনটুনির ছানাগুলোকে খাবার জন্য বেগুন গাছে টুনটুনির বাসায়লাফ মারে। কিন্তু ছানাগুলো তখন উড়ে অন্য জায়গায় চলে গেছে। বিড়াল শুধু বেগুন কাটার খোঁচা খেয়ে নাকাল হ...

ধর্মমঙ্গল কাব্যের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরো।

 ★ধর্মমঙ্গল কাব্যের ঐতিহাসিকতা :– ধর্মমঙ্গলের কাহিনির পেছনে যে ঐতিহাসিক বিষয়বস্তু রয়েছে তাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাল বংশের সমাপ্তি পর্বকে এই কাহিনির পটভূমি হিসাবে মনে করা হয়। এই কাহিনির ইছাই ঘোষ, লাউসেন ঐতিহাসিক ব্যক্তি। এই কাব্যে যুদ্ধ-বিগ্রহজনিত উত্তেজনামূলক ঘটনা প্রাচুর্যময় বাংলার ঘটনাকেই সূচিত করে। ধর্মঠাকুরের উৎসব কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গের উৎসব। অন্যান্য মঙ্গলকাব্যে সাধারণ বাঙালির যে মেরুদণ্ডহীন নমনীয়তা দেবতার অভিপ্রায়ের কাছে সমর্পিত হয়েছে, তার বিপরীত রূপটিই এখানে প্রকাশিত। ধর্মমঙ্গলে রাঢ়ের রাজনৈতিক জীবনযাত্রা ও তার নিম্নশ্রেণির নর-নারীর মহিমান্বিত দেশাত্মবোধের যে উজ্জ্বল রসসমৃদ্ধ চিত্র আমরা পাই তাতে একে রাঢ়ের জাতীয় কাব্য রূপে অভিহিত করা যায়।

ধর্মমঙ্গল কাব্য কে কেন রাঢ়ের জাতীয় মহাকাব্য বলে অভিহিত করা হয় ??

ধর্মমঙ্গল বিষয়বস্তুর প্রাচীনত্বে ও বিভিন্ন ধর্মমতের সমন্বয় প্রয়াসের প্রত্যক্ষ নিদর্শন রূপে ধর্মমঙ্গল কাব্যই আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। মধ্যযুগীয় দৈব নির্ভরতাবাদী মঙ্গলকাব্য ধারায় ধর্মমঙ্গলের স্থান কিছুটা ভিন্ন ধরনের। এই স্বাতন্ত্র্য্য মূলত ধর্মঠাকুরের স্বরূপে, ভৌগোলিক অবস্থানে এবং বিষয়বস্তুর বর্ণনা ভঙ্গিমায়। তাই এই কাব্য নিয়ে নানা দাবী উপস্থাপিত হয়েছে। এমনও দাবী করা হয়েছে যে ধর্মমঙ্গল রাঢ়ের জাতীয় কাব্য। ★ধর্মমঙ্গল কাব্যের ঐতিহাসিকতা :– ধর্মমঙ্গলের কাহিনির পেছনে যে ঐতিহাসিক বিষয়বস্তু রয়েছে তাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাল বংশের সমাপ্তি পর্বকে এই কাহিনির পটভূমি হিসাবে মনে করা হয়। এই কাহিনির ইছাই ঘোষ, লাউসেন ঐতিহাসিক ব্যক্তি। এই কাব্যে যুদ্ধ-বিগ্রহজনিত উত্তেজনামূলক ঘটনা প্রাচুর্যময় বাংলার ঘটনাকেই সূচিত করে। ধর্মঠাকুরের উৎসব কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গের উৎসব। অন্যান্য মঙ্গলকাব্যে সাধারণ বাঙালির যে মেরুদণ্ডহীন নমনীয়তা দেবতার অভিপ্রায়ের কাছে সমর্পিত হয়েছে, তার বিপরীত রূপটিই এখানে প্রকাশিত। ধর্মমঙ্গলে রাঢ়ের রাজনৈতিক জীবনযাত্রা ও তার নিম্নশ্রেণির নর-নারীর মহিমান্বিত দেশাত্মবোধের যে...

ধর্মমঙ্গল কাব্যের অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন শ্রেষ্ঠ কবি ও তাঁর কৃতিত্বের পরিচয় দাও।।।।

         ■ অষ্টাদশ শতাব্দী – শ্রেষ্ঠ কবি                    • ঘনরাম চক্রবর্তী ধর্মমঙ্গল কাব্যের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক জনপ্রিয় কবি হলেন ঘনরাম চক্রবর্তী। ঘনরাম অষ্টাদশ শতাব্দীর শক্তিমান কবি। মঙ্গলকাব্যের ঐশ্বর্যযুগের শেষ পর্যায়ে রামেশ্বর ভট্টাচার্যের শিবায়ন, ঘনরাম চক্রবর্তীর ধর্মমঙ্গল এবং ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল নির্বাণোন্মুখ দীপশিখার মতো সর্বশেষ জ্যোতি।  সুকুমার সেন লিখেছেন,– “ধর্মমঙ্গল রচয়িতাদের মধ্যে সবচেয়ে শিক্ষিত ও দক্ষ ছিলেন ঘনরাম চক্রবর্তী। ঘনরাম সুলেখক ছিলেন। তাঁহার রচনা সর্বাধিক পরিচিত ধর্মমঙ্গল কাব্য”। ( বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা-১৫১ )।  অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ও লিখেছেন, –“আধুনিক যুগের বাঙালী সমাজ তাঁহার কাব্য হইতেই ধর্মমঙ্গল কাব্যের নূতনত্ব উপলব্ধি করিয়াছিলেন। এই শাখার অন্যান্য শক্তিশালী কবি অপেক্ষা ঘনরাম অধিকতর ভাগ্যবান। কারণ ধর্মমঙ্গলের কবিদের মধ্যে তিনিই সর্বপ্রথম মার্জিত রুচির নাগরিক সমাজে পরিচিত হন। ( বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত, তৃতীয় খণ্ড, দ্বিতীয় পর্ব, পৃষ্ঠা-৯৮ ...

বাংলা সাহিত্যের আদিপর্বে বৌদ্ধধর্ম ও বৌদ্ধ সংস্কৃতিচর্চা এবং বিবর্তনের ইতিহাস। সমস্ত সংক্ষিপ্ত ও অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ....

সংক্ষিপ্ত ও অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ....                                                  প্রতিটি প্রশ্নের মান ১/২ 1. ভারতবর্ষের প্রথম সাহিত্যিক ভাষারূপে কোন ভাষার কথা উল্লেখ করা যেতে পারে? উত্তর : আনুমানিক খ্রিঃ পূর্বঃ ৬০০-২০০ খ্রিঃ মধ্যে প্রচলিত 'পালি' ভাষাকে লোক ভারতের প্রথম সাহিত্যিক ভাষা হিসাবে মর্যাদা দেওয়া যেতে পারে। 2. পালি ভাষার উৎপত্তি কীভাবে ঘটে? উত্তর : বৌদ্ধ ধর্মশাস্ত্র সংগ্রন্থনের মৌলিক প্রয়োজন থেকেই পালি ভাষার প্রথম উৎপত্তি ঘটেছে বলে সাহিত্য ঐতিহাসিকরা মনে করেছেন। 3. কোন্‌ সময়কালে সংস্কৃত ভাষায় বৌদ্ধধর্ম সম্বন্ধে নানা শাস্ত্র ও কাব্যগ্রন্থ রচনার কথা জানা যায়? উত্তর : পাল রাজাদের আমলে সংস্কৃত ভাষায় বৌদ্ধধর্ম সম্বন্ধে বিভিন্ন শাস্ত্র এবং কাব্যগ্রন্থ রচনার সুনিশ্চিত প্রমাণ মিলেছে। কিন্তু এইসব রচনার প্রত্যক্ষ নিদর্শন অপ্রাপ্য থাকায় সাহিত্য ঐতিহাসিকরা তিব্বতি ভাষার অনুবাদ গ্রন্থের সাহায্য নিয়ে থাকেন।  4. বৌদ্ধধর্ম প্রভাবিত সংস্কৃত সাহিত্য র...