সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর “টুনটুনির বই” লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

"টুনটুনির বই আসলে পশুপক্ষীর আড়ালে মানুষের কথা" । – আলোচনা করো।

উত্তর :        টুনটুনির বই গল্পে মোট ২৭ টি গল্প আছে প্রতিটি গল্পের মূল চরিত্র হলে পশু-পাখি কীট-পতঙ্গ সরিসৃপ আবার কখনও বা মানুষ। তারা সবাই একে অপরের ভাষা বোঝে মানুষের মত কথা কয় মানুষেরসঙ্গে কথা বলে। প্রসঙ্গত বলতে হয় রূপকথা উপকথা প্রভৃতি সাহিত্য শুধু কল্পনা মাত্র নয় সেখানে আছে বাস্তবতা। কেননা বাস্তবতা ছাড়া কোন সাহিত্যই হয় না। রূপকথার থাকে বাস্তবকে অবলম্বন করে সুদুরপ্রসারী কল্পনার বিস্তার আর উপকথায় থাকে পশু পাখি প্রভৃতি মনুষ্যত্বের গল্প কাহিনীর রুপাকে মানুষের জীবনের বাস্তব চরিত্রাঙ্কন। উপেন্দ্রকিশোর টুনটুনির বই লিখতে গিয়ে শিশু শিক্ষার আসর ফাঁদেন নি। তাদের নির্ভেজাল আনন্দ দেওয়ার জন্য অবাস্তবকে রসের মোড়কে ও কতকথার গুণে প্রায় দৃশ্যমান বাস্ত । মতো করে পরিবেশন করে শিশুদের বিস্ময়ে আবিষ্ট করে তোলার জন্য একের পর এক গল্পগুলো লিখে গেছেন তাতে নীতি শিক্ষা বিশেষ নেই। টুটুনির বই-এর বিশেষত্ব হলো শক্তি বা কলেবরে বিরাটত্বের জয় নয় বুদ্ধির প্রখরতায় প্রতুৎপন্নমতিত্ব দ্বারা বিপদ মুক্ত হওয়া যায়। শক্তির মদ মত্ততায় অহংকারী হয়ে উঠলে তার পরাজয় বা পতন অবশ্যম্ভাবীই। ক্ষুদ্র প্রা...

বাঘমামা আর শিয়ালভাগ্নে

 বাঘমামা আর শিয়ালভাগ্নে শিয়াল ভাবে, ‘বাঘমামা, দাঁড়াও তোমাকে দেখাচ্ছি!’ এখন সে আর নরহরি দাসের ভয়ে তার পুরনো গুর্তে যায় না, সে একটা নতুন গর্ত খুঁজে বার করেছে। সেই গর্তের কাছে একটা কুয়ো ছিল। একদিন শিয়াল নদীর ধারে একটা মাদুর দেখতে পেয়ে, সেটাকে টেনে তার বাড়িতে নিয়ে এল। এনে, সেই কুয়োর মুখের উপর তাকে বেশ করে বিছিয়ে বাঘকে গিয়ে বললে, 'মামা, আমার নতুন বাড়ি দেখতে গেলে না?’ শুনে বাঘ তখনি তার নতুন বাড়ি দেখতে এল। শিয়াল তাকে সেই কুয়োর মুখে বিছানো মাদুরটা দেখিয়ে বললে, “মামা, একটু বস, জলখাবার খাবে।' জলখাবারের কথা শুনে বাঘ ভারি খুশি হয়ে, লাফিয়ে সেই মাদুরের উপর বসতে গেল, আর অমনি সে কুয়োর ভিতরে পড়ে গেল। তখন শিয়াল বললে, ‘মামা, খুব করে জল খাও, একটুও রেখো না যেন!’ সেই কুয়োর ভিতরে কিন্তু বেশি জল ছিল না, তাই বাঘ তাতে ডুবে মারা যায় নি। সে আগে খুবই ভয় পেয়েছিল, কিন্তু শেষে অনেক কষ্টে উঠে এল। উঠেই সে বললে, ‘কোথায় গেলিরে শিয়ালের বাচ্চা? দাঁড়া, তোকে দেখাচ্ছি।' কিন্তু শিয়াল তার আগেই পালিয়ে গিয়েছিল, তাকে কিছুতেই খুঁজে পাওয়া গেল না। তারপর থেকে বাঘের ভয়ে শিয়াল আর তার বাড়ি...

পান্তাবুড়ির কথা

   পান্তাবুড়ির কথা  এক যে ছিল পান্তাবুড়ি, সে পান্তাভাত খেতে বড্ড ভালোবাসত। এক চোর এসে রোজ পান্তাবুড়ির পান্তাভাত খেয়ে যায়, তাই বুড়ি লাঠি ভর দিয়ে রাজার কাছে নালিশ করতে চলল। পান্তাবুড়ি পুকুরধার দিয়ে যাচ্ছিল। একটা শিঙিমাছ তাকে দেখতে পেয়ে বললে, ‘পান্তাবুড়ি, কোথায় যাচ্ছ?’ পান্তাবুড়ি বললে, ‘চোরে আমার পান্তাভাত খেয়ে যায়, তাই রাজার কাছে নালিশ করতে যাচ্ছি!’ পান্তা-বুড়ি চলেছে শিঙিমাছ বললে, 'ফিরে যাবার সময় আমাকে নিয়ে যেও, তোমার ভালো হবে।' পান্তা-বুড়ি বললে, 'আচ্ছা।' তারপর পাস্তাবুড়ি বেলতলা দিয়ে যাচ্ছে। একটা বেল মাটিতে পড়ে ছিল, সে বললে, ‘পাস্তাবুড়ি, কোথায় যাচ্ছ?”  পাস্তাবুড়ি বললে, ‘চোরে আমার পাস্তাভাত খেয়ে যায়, তাই রাজার কাছে নালিশ করতে যাচ্ছি।' বেল বললে, ‘ফিরে যাবার সময় আমাকে নিয়ে যেও, তোমার ভালো হবে।'  পাস্তাবুড়ি বললে, 'আচ্ছা।” তারপর পাস্তাবুড়ি পথের ধারে খানিকটা গোবর দেখতে পেলে। গোবর বললে, ‘পাস্তাবুড়ি, কোথায় যাচ্ছ?’ পাস্তাবুড়ি বললে, ‘চোরে আমার পাস্তাভাত খেয়ে যায়, তাই রাজার কাছে নালিশ করতে যাচ্ছি।'  গোবর বললে, “ফিরে যাবার সময় আমাক...

“বাঘ মামা আর শিয়াল ভাগ্নে” -এর সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর।

 সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর প্রশ্ন : শিয়াল তার পুরনো গর্তে যায় না কেন?  উত্তর : শিয়াল নরহরি দাস-এর ভয়ে পুরনো গড়তে আর ফিরে যায়নি।  প্রশ্ন : শিয়াল ভাবে, বাঘ মামা দাড়াও তোমাকে দেখাচ্ছি। – শিয়াল বাঘকে কিভাবে জব্দ করেছিল? উত্তর : শিয়ালের গর্তের কাছে একটি কুয়ো ছিল। নদীর ধার থেকে একটি মাদুর টেনে নিয়ে ওর মুখের উপর তাকে বেশ করে বিছিয়ে বাঘকে বললো মাদুরের উপর বসতে তাকে সে জলখাবার খেতে দেবে। দেখ না বাঘ লাফিয়ে মাদুরের উপর বসতে গেল সঙ্গে সঙ্গে সে কুয়োর ভেতর পড়ে গেল। তখন শিয়াল মামাকে বলে 'মামা খুব করে জল খাও, একটুও রেখো না যেন।' এইভাবে শিয়াল বাঘকে জব্দ করেছিল। প্রশ্ন : তাই বাঘ তাতে ডুবে মারা যায়নি—বাঘ কোথায় ডুবে গিয়েছিল? সে মারা যায়নি কেন? উত্তর : শিয়ালের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে একটি কুয়োর মধ্যে পড়ে গিয়েছিল। কুয়োর ভিতরে বেশি জল ছিল না তাই বাঘ ডুবে মারা যায়নি।  প্রশ্ন : বেচারি না খেয়ে না খেয়ে শেষে আধমরা হয়ে গেল।—কার কেন এরূপ অবস্থা হয়? উত্তর ঃ শিয়াল বাঘের হাত থেকে বাঁচতে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়াতে লাগল। ঠিকমতো সে খেতে পেল না। শেষে সে আধমরা হয়ে গেল। প্রশ্ন : ...

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর “টুনটুনির বই” -এর ‘নরহরি দাস’ গল্পে বাঘ ও শিয়ালের কিরুপ পরিণতি হয়েছিল বিষয়বস্তু অবলম্বনে লেখ।

 • রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর উত্তর ঃ নরহরি দাস গল্পে আমরা দেখি যে একটি ছোট্ট ছাগলছানা গর্তের ভিতরে থাকতো সে বাইরে বের হতে পারত না। যখন সে একটু বড় হল তখন সে গর্তের বাইরে বেরোলো। তার সঙ্গে দেখা হলো এক মস্ত ষাঁড়-এর। ষাঁড়টিকে দেখে সে মনে করল ওটা একটা বড় ছাগল খুব ভালো জিনিস খেয়ে সে বড় হয়েছে। সে যাঁড়-এর কাছে গিৱে জিজ্ঞেস করল ষাঁড় কি খায়?— ষাঁড় উত্তরে জানায় সে ঘাস খায়। ছাগল বলে তার মাঙ ঘাস খায় কিন্তু তার মত এত বড় নয় কেন। তখন ষাঁড় বলল তার মায়ের থেকে সে অনেক বেশি ঘাস খায়।        ছাগলছানা তখন জানতে চায় সেই ঘাস কোথায় পাওয়া যায়। ষাঁড় তখন দেখায় বনের ভিতর ঘাস পাওয়া যায়। সেই বনের ভিতরে ষাঁড় ছাগল ছানা কে নিয়ে গেল। সেই বনের ভিতরে খুব চমৎকার ঘাস ছিল। ছাগলছানার পেটে যত ঘাস ধরল সে তত ঘাস খেলো। ঘাস খেয়ে তার পেট এমন ভারী হয়ে গেল সে আর চলতে পারল না। তখন সে বনের মধ্যে একটি গর্ত দেখতে পেয়ে তার ভেতর ঢুকে পড়লো। সেই গর্তে এক শিয়াল বসবাস করত সে তখন বাঘ মামার বাড়ি নিমন্ত্রণ খেতে গিয়েছিল। সে কিরে এসে দেখল গর্তের ভিতর কিরকম একটা জতু ঢুকে রয়েছে। অন্ধকারের ভেতর ভ...

‘টুনটুনির বই’-এর “নরহরি দাস” গল্প অবলম্বনে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

প্রশ্ন : গল্পের ছাগল ছানা কোথায় থাকতো? উত্তর : মাঠের পাশে বন আছে, বনের ধারে মস্ত পাহাড়, সেইখানে একটা গর্তের ভিতর একটি ছাগল ছানা থাকত। প্রশ্ন : ছাগলছানাটি গর্তের বাইরে যেতে পারত না কেন? উত্তর ঃ ছাগল ছাড়াতে খুব ছোট ছিল তাই সে গর্তের বাইরে বের হতে পারত না।  প্রশ্ন ঃ ছাগলছানাটি গর্তের বাইরে বের হতে চাইলে তার মা কি বলতো? উত্তর : ছাগলছানাটি গর্তের বাইরে বেরোতে চাইলে তার মা বলতো বাইরে গেলে ভালুক ধরবে বাঘে নিয়ে যাবে কিংবা সিংহ খেয়ে ফেলবে।  প্রশ্ন : তা শুনে তার ভয় হতো আর সে চুপ করে গর্তের ভিতরে বসে থাকতো। –কি শুনে ছাগল ছানা ভয় লাগতো? উত্তর : ছাগলছানাটি গর্তের বাইরে বেরোতে চাইলে তার মা বলতো বাইরে গেলে ভালুক ধরবে বাঘে নিয়ে যাবে কিংবা সিংহ খেয়ে ফেলবে। এই কথা শুনে ছাগলছানাটি ভয় পেত। প্রশ্ন : ছাগল ছানা আর এত বড় জন্তু কখনো দেখেনি। এখানে কার কথা বলা হয়েছে? উত্তর : এখানে একটি ষাঁড় এর কথা বলা হয়েছে। প্রশ্ন : শেষে একদিন একেবারে গর্তের বাইরে চলে এলো। কোন সময়ের কথা বলা হয়েছে? উত্তর: ছাগলছানা যখন বড় হল তখন তার ভয় কমে গেল তখন তার মা বাইরে চলে গেল সে গর্তের ভিতর উঁকি মেরে দেখত। শেষে...

“টুনটুনি আর রাজার কথা” গল্প অবলম্বনে টুনটুনির আর রাজার কথা গল্পে রাজার পরিণতি কি হয়েছিল আলোচনা করো।

 রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর   প্রশ্নঃ টুনটুনির আর রাজার কথা গল্পে রাজার পরিণতি কি হয়েছিল আলোচনা করো।  অথবা টুনটুনিকে জব্দ করার জন্য রাজামশাই নানাবিধ চেষ্টা করে অবশেষে জব্দ হয়ে গেলেন। বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করে তা দেখাও। উত্তরঃ টুনটুনি আর রাজার কথা গল্প দেখা গেছে টুনটুনি রাজার একটি টাকা বাড়িতে নিয়ে আসে। সেটি রাজার সহ্য হয় না। রাজার লোক দিয়ে সেই টাকা নিয়ে আসে। তখন টুনটুনি বলে—রাজা বড় ধনে কাতর/ টুনির ধন নিলে বাড়ির ভিতর। এই কথা শোনার পর রাজা একটু নরম হন। রাজার লোক গিয়ে টাকাটা টুনটুনিকে ফেরত দেয়। টাকা ফিরে পেয়ে আনন্দে বলে ওঠে রাজা ভারি ভয় পেল। টুনির টাকা ফিরিয়ে দিল। এই কথা শুনে রাজা বেজায় রেগে ওঠেন। রাজা তার লোককে নির্দেশ দেন টুনটুনিকে ধরে আনতে সে টুনটুনি ভাজা খাবে। রাজার লোক টুনটুনিকে ধরে নিয়ে এসে রাজার কাছে তুলে দেয়। রাজা টুনটুনিকে মুঠোয় করে নিয়ে বাড়ির ভিতর রানীদের বলে পাখিটাকে ভেজে তাকে খেতে দিতে। সাতজন রানী মিলে সেই পাখিটাকে দেখতে থাকে। এইভাবে একজন আরেকজনকে হাতে দিতে গিয়ে পাখিটা পালিয়ে যায়। তখন রাজার ভয়ে রানীরা রাজাকে একটি ব্যাঙ ভেজে খেতে দেয়। রাজা ব্...

"টুনটুনি আর রাজার কথা" গল্প অবলম্বনে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

 টুনটুনি আর রাজার কথা • সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর প্রশ্ন : টুনটুনির বাসা কোথায় ছিল?  উত্তর : রাজার বাগানের কোণে। প্রশ্ন : রাজা কিসের টাকা রোদে শুকোতে দিয়েছিল?  উত্তর : রাজা সিন্দুকের টাকা রোদে শুকোতে দিয়েছিল। প্রশ্ন : টুনটুনি রাজা টাকা পেয়ে কি বলতে লাগলো?  উত্তর ঃ রাজার ঘরে যে ধন আছে, আমার ঘরে সে ধন আছে। এই কথা বলতে লাগলো। প্রশ্ন : সকলে হাতজোড় করে বললে–সকলে হাতজোড় করে কি বলল?  উত্তর : সকলেই হাতজোড় করে রাজামশাইকে বলল টুনটুনি পাখি বলছে রাজার ঘরে ধন আছে ওর ঘরেও নাকি সেই ধন আছে। প্রশ্ন : শুনে রাজা খিলখিল করে হেসে বললেন—কি বললেন ?  উত্তর : রাজা বললেন টুনটুনির বাসায় কি আছে দেখে আসতে।  প্রশ্ন : টুনটুনির বাসায় কি ছিল? উত্তর : টুনটুনির বাসা ছিল রাজার একটি টাকা। প্রশ্ন : টুনটুনির বাসা থেকে রাজার লোক টাকাটি নিয়ে আসার পর টুনটুনি কি বলে?  উত্তর: টুনটুনির বাসা থেকে রাজার লোক টাকাটি নিয়ে আসার পর টুনটুনি দুঃখে বলতে লাগলো রাঙ্গ বড় ধনে কাতর। টুনির ধন নিলে বাড়ির ভিতর। প্রশ্ন : টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার পর টুনটুনি আনন্দে কি বলে ওঠে? উত্তর : টুনটুনি আনন্দে বলে ওঠে...

"টুনটুনি আর বিড়ালের কথা" গল্প থেকে আমরা যা জানতে পারি, তা গল্প অবলম্বনে সকল সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর।।

 টুনটুনির বই – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী   টুনটুনির আর বিড়ালের কথা © সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর প্রশ্ন : টুনটুনি কোথায় কিভাবে বাসা বেধেছে?  উত্তর : টুনটুনি গৃহস্থের বেগুন গাছের পাতা ছোঁট দিয়েসেলাই করে বাসা বেধেছে। প্রশ্ন : টুনটুনির কটি ছানা ছিল? তারা কি করত?  উত্তর : টুনটুনির তিনটি ছোট্ট ছোট্ট ছানা ছিল।তারা উড়তে পারত না, চোখ মেলতে পারত না। খালি হা করে চি চি করত। প্রশ্ন : সে খালি ভাবে টুনটুনির ছানা খাব। এখানে কার কথা বলা হয়েছে?  উত্তরঃ এখানে গৃহস্থের বিড়ালের কথা বলা হয়েছে। প্রশ্ন : টুনটুনি তার ছানাদের কি করতে বলে? উত্তর : টুনটুনি তার ছানাদের বলে উড়ে অন্য গাছের ডালে বসতে।  প্রশ্ন : তখন টুনটুনি পা উচিয়ে তাকে লাথি দেখিয়ে বললে–কে কাকে লাথি দেখিয়ে বলল? উত্তর : টুনটুনি পাখি বিড়ালকে লাথি দেখিয়ে বলল দূর হ লক্ষী ছাড়া বিড়ালনী।  প্রশ্ন : দুষ্টু বিড়ালের পরিণাম কি হয়েছিল? উত্তর : দুষ্টু বিড়াল টুনটুনির ছানাগুলোকে খাবার জন্য বেগুন গাছে টুনটুনির বাসায়লাফ মারে। কিন্তু ছানাগুলো তখন উড়ে অন্য জায়গায় চলে গেছে। বিড়াল শুধু বেগুন কাটার খোঁচা খেয়ে নাকাল হ...