সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

পাটিগণিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন চিহ্ন ও তাদের অর্থ

1. = চিহ্ন – সমতার চিহ্ন ; ( a = b-র অর্থ a ও b সমান।)  2. ≡ চিহ্ন — (সর্বতভাবে সমান বোঝায়; a ≡ b র অর্থ a ও b অভিন্ন।)   3. ≅ চিহ্ন – সর্বসমতা বোঝায়; (a ≅ b-র অর্থ a ও b সর্বসম।)  4. ~ চিহ্ন – অন্তর চিহ্ন ; (a ~ b-র অর্থ a ও b-এর মধ্যে যেটি বৃহত্তর তাহা হইতে ক্ষুদ্রতরটির অন্তরফল।)  5. : চিহ্ন – অনুপাত চিহ্ন ; (a : b)  6. :: চিহ্ন – সমানুপাতের চিহ্ন ; (a:b :: c : d-র অর্থ ad = bc)  7. √ চিহ্ন – মূলসূচক চিহ্ন ; ( √a-র অর্থ a-এর বর্গমূল, ³√a-র a -এর অর্থ ঘনমূল।)  8. ∝ চিহ্ন – ভেদচিহ্ন ; (a ∝ b)  9. % চিহ্ন – শতকরা চিহ্ন ; ( a%-র অর্থ শতকরা ৫ ভাগ।)  10. ≠ চিহ্ন – অসমান চিহ্ন ; (a ≠ b-র অর্থ a ও b সমান নয় ৷)  11. > চিহ্ন – Greater than; (a> b-র অর্থ b অপেক্ষা ৫ বৃহত্তর।) 12. < চিহ্ন – Less than; (a < b-র অর্থ b অপেক্ষা a ক্ষুদ্রতর)  13. ≯ চিহ্ন – Not greater than; (a ≯ b-র অর্থ b অপেক্ষা a বড় নয়) 14. ≮ চিহ্ন – Not less than; (a ≮b-র অর্থ b অপেক্ষা a ছোট নয়)  15. ≥ চিহ্ন – Greater than equal to; (a ≥ b-র...

পাটিগণিত বিষয়ে কিছু ইংরেজী শব্দের বাংলা

পাটিগণিত বিষয়ে কিছু ইংরেজী শব্দের বাংলা :– Integer/digit – অঙ্ক Number – সংখ্যা Prime number – মৌলিক সংখ্যা  Perfect square – পূর্ণবর্গ Square root – বর্গমূল Cube – ঘন Cube root – ঘনমূল Sum – যোগফল Least number – ক্ষুদ্রতম সংখ্যা Greatest number – বৃহত্তম সংখ্যা Numerical – লব Denominator – হর Product গুণফল Divisor – ভাজক Dividend – ভাজ্য Quotient – ভাগফল Remainder – ভাগশেষ Divisible – বিভাজ্য Division – ভাগ Consecutive — পর পর Even – জোড় Odd – বিজোড় Ascending order – ছোট থেকে বড় Descending order – বড় থেকে ছোট Cost price – ক্রয়মূল্য Selling price – বিক্রয়মূল্য Profit – লাভ Loss – ক্ষতি List/marked/catalogue/Advertised price – ধার্যমূল্য  Down stream – অনুকূলে গতি Up stream – প্রতিকূলে গতি Maximum marks = Full marks – পূর্ণ নম্বর Score – এককুড়ি (২০টি) Outlay – বিনিয়োজিত অর্থ Later – পরে Reduce – হ্রাস করা Principal/Sum – আসল Amount – সুদ-আসল L.C.M. (Lowest Common Multiple) – ল.সা.গু. H.C.F. (Highest Common Farctor) – গ.সা.গু. Fraction – ভগ্নাংশ Decimal fraction – দশমি...

বাঘমামা আর শিয়ালভাগ্নে

 বাঘমামা আর শিয়ালভাগ্নে শিয়াল ভাবে, ‘বাঘমামা, দাঁড়াও তোমাকে দেখাচ্ছি!’ এখন সে আর নরহরি দাসের ভয়ে তার পুরনো গুর্তে যায় না, সে একটা নতুন গর্ত খুঁজে বার করেছে। সেই গর্তের কাছে একটা কুয়ো ছিল। একদিন শিয়াল নদীর ধারে একটা মাদুর দেখতে পেয়ে, সেটাকে টেনে তার বাড়িতে নিয়ে এল। এনে, সেই কুয়োর মুখের উপর তাকে বেশ করে বিছিয়ে বাঘকে গিয়ে বললে, 'মামা, আমার নতুন বাড়ি দেখতে গেলে না?’ শুনে বাঘ তখনি তার নতুন বাড়ি দেখতে এল। শিয়াল তাকে সেই কুয়োর মুখে বিছানো মাদুরটা দেখিয়ে বললে, “মামা, একটু বস, জলখাবার খাবে।' জলখাবারের কথা শুনে বাঘ ভারি খুশি হয়ে, লাফিয়ে সেই মাদুরের উপর বসতে গেল, আর অমনি সে কুয়োর ভিতরে পড়ে গেল। তখন শিয়াল বললে, ‘মামা, খুব করে জল খাও, একটুও রেখো না যেন!’ সেই কুয়োর ভিতরে কিন্তু বেশি জল ছিল না, তাই বাঘ তাতে ডুবে মারা যায় নি। সে আগে খুবই ভয় পেয়েছিল, কিন্তু শেষে অনেক কষ্টে উঠে এল। উঠেই সে বললে, ‘কোথায় গেলিরে শিয়ালের বাচ্চা? দাঁড়া, তোকে দেখাচ্ছি।' কিন্তু শিয়াল তার আগেই পালিয়ে গিয়েছিল, তাকে কিছুতেই খুঁজে পাওয়া গেল না। তারপর থেকে বাঘের ভয়ে শিয়াল আর তার বাড়ি...

পান্তাবুড়ির কথা

   পান্তাবুড়ির কথা  এক যে ছিল পান্তাবুড়ি, সে পান্তাভাত খেতে বড্ড ভালোবাসত। এক চোর এসে রোজ পান্তাবুড়ির পান্তাভাত খেয়ে যায়, তাই বুড়ি লাঠি ভর দিয়ে রাজার কাছে নালিশ করতে চলল। পান্তাবুড়ি পুকুরধার দিয়ে যাচ্ছিল। একটা শিঙিমাছ তাকে দেখতে পেয়ে বললে, ‘পান্তাবুড়ি, কোথায় যাচ্ছ?’ পান্তাবুড়ি বললে, ‘চোরে আমার পান্তাভাত খেয়ে যায়, তাই রাজার কাছে নালিশ করতে যাচ্ছি!’ পান্তা-বুড়ি চলেছে শিঙিমাছ বললে, 'ফিরে যাবার সময় আমাকে নিয়ে যেও, তোমার ভালো হবে।' পান্তা-বুড়ি বললে, 'আচ্ছা।' তারপর পাস্তাবুড়ি বেলতলা দিয়ে যাচ্ছে। একটা বেল মাটিতে পড়ে ছিল, সে বললে, ‘পাস্তাবুড়ি, কোথায় যাচ্ছ?”  পাস্তাবুড়ি বললে, ‘চোরে আমার পাস্তাভাত খেয়ে যায়, তাই রাজার কাছে নালিশ করতে যাচ্ছি।' বেল বললে, ‘ফিরে যাবার সময় আমাকে নিয়ে যেও, তোমার ভালো হবে।'  পাস্তাবুড়ি বললে, 'আচ্ছা।” তারপর পাস্তাবুড়ি পথের ধারে খানিকটা গোবর দেখতে পেলে। গোবর বললে, ‘পাস্তাবুড়ি, কোথায় যাচ্ছ?’ পাস্তাবুড়ি বললে, ‘চোরে আমার পাস্তাভাত খেয়ে যায়, তাই রাজার কাছে নালিশ করতে যাচ্ছি।'  গোবর বললে, “ফিরে যাবার সময় আমাক...

গল্প – পোস্ট্ মাস্টার, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

         পোস্ট মাস্টার প্রথম কাজ আরম্ভ করিয়াই উলাপুর গ্রামে পোস্ট্ মাস্টারকে আসিতে হয়। গ্রামটি অতি সামান্য। নিকটে একটি নীলকুঠি আছে, তাই কুঠির সাহেব অনেক জোগাড় করিয়া এই নূতন পোস্ট্ আপিস স্থাপন করহিয়াছে।  আমাদের পোস্টমাস্টার কলিকাতার ছেলে। জলের মাছকে ডাঙায় তুলিলে যেরকম হয়, এই গণ্ডগ্রামের মধ্যে আসিয়া পোস্টমাস্টারেরও সেই দশা উপস্থিত হইয়াছে। একখানি অন্ধকার আটচালার মধ্যে তাহার আপিস অদুরে একটা পানাপুকুর এবং তাহার চারি পাড়ে জঙ্গল। কুঠির গোমস্তা প্রভৃতি যে-সকল কর্মচারী আছে তাহাদের ফুরসত প্রায় নাই এবং তাহারা ভদ্রলোকের সহিত মিশিবার উপযুক্ত নহে।  বিশেষত কলিকাতার ছেলে ভালো করিয়া মিশিতে জানে না। অপরিচিত স্থানে গেলে, হয় উদ্ধত নয় অপ্রতিভ হইয়া থাকে। এই কারণে স্থানীয় লোকের সহিত তাঁহার মেলামেশা হইয়া উঠে না। অথচ হাতে কাজ অধিক নাই। কখনো কখনো দুটো একটা কবিতা লিখিতে চেষ্টা করেন। তাহাতে এমন ভাব ব্যক্ত করিয়াছেন যে, সমস্ত দিন তরুপল্লবের কম্পন এবং আকাশের মেঘ দেখিয়া জীবন বড়ো সুখে কাটিয়া যায় কিন্তু অন্তর্যামী জানেন, যদি আরব্য উপন্যাসের কোনো দৈত্য আসিয়া এক রা...

গল্প– দেনাপাওনা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 দেনাপাওনা পাঁচ ছেলের পর যখন এক কন্যা জন্মিল তখন বাপ-মায়ে অনেক আদর করিয়া তাহার নাম রাখিলেন নিরুপমা। এ গোষ্ঠীতে এমন শৌখিন নাম ইতিপূর্বে কখনো শোনা যায় নাই। প্রায় ঠাকুর-দেবতার নামই প্রচলিত ছিল—গণেশ কার্তিক পার্বতী তাহার উদাহরণ। এখন নিরুপমার বিবাহের প্রস্তাব চলিতেছে। তাহার পিতা রামসুন্দর মিত্র অনেক খোঁজ করেন কিন্তু পাত্র কিছুতেই মনের মতন হয় না। অবশেষে মস্ত এক রায়বাহাদুরের ঘরের একমাত্র ছেলেকে সন্ধান করিয়া বাহির করিয়াছেন। উক্ত রায়বাহাদুরের পৈতৃক বিষয়-আশয় যদিও অনেক হ্রাস হইয়া আসিয়াছে কিন্তু বনেদী ঘর বটে। বরপক্ষ হইতে দশ হাজার টাকা পণ এবং বহুল দানসামগ্রী চাহিয়া বসিল। রামসুন্দর কিছুমাত্র বিবেচনা না করিয়া তাহাতেই সম্মত হইলেন; এমন পাত্র কোনোমতে হাতছাড়া করা যায় না। কিছুতেই টাকার জোগাড় আর হয় না। বাঁধা দিয়া, বিক্রয় করিয়া, অনেক চেষ্টাতেও হাজার ছয়-সাত বাকি রহিল। এ দিকে বিবাহের দিন নিকট হইয়া আসিয়াছে। অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহসভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। র...

গল্প - ছুটি , রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 ছুটি   বালকদিগের সর্দার ফটিক চক্রবর্তীর মাথায় চট্ করিয়া একটা নূতন ভাবোদয় হইল নদীর ধারে একটা প্রকাণ্ড শালকাষ্ঠ মাস্তলে রূপান্তরিত হইবার প্রতীক্ষায় পড়িয়া ছিল। স্থির হইল, সেটা সকলে মিলিয়া গড়াইয়া লইয়া যাইবে।  যে ব্যক্তির কাঠ, আবশ্যক কালে তাহার যে কতখানি বিস্ময় বিরক্তি এবং অসুবিধা বোধ হইবে, তাহাই উপলব্ধি করিয়া বালকেরা এ প্রস্তাবে সম্পূর্ণ অনুমোদন করিল।  কোমর বাঁধিয়া সকলেই যখন মনোযোগের সহিত কার্যে প্রবৃত্ত হইবার উপক্রম করিতেছে এমন সময়ে ফটিকের কনিষ্ঠ মাখনলাল গম্ভীরভাবে সেই গুঁড়ির উপরে গিয়া বসিল ছেলেরা তাহার এইরূপ উদার ঔদাসীন্য দেখিয়া কিছু বিমর্ষ হইয়া গেল।  একজন আসিয়া ভয়ে ভয়ে তাহাকে একটু-আধটু ঠেলিল, কিন্তু সে তাহাতে কিছুমাত্র বিচলিত হইল না এই অকাল-তত্ত্বজ্ঞানী মানব সকলপ্রকার ক্রীড়ার অসারতা সম্বন্ধে নীরবে চিন্তা করিতে লাগিল।  ফটিক আসিয়া আস্ফালন করিয়া কহিল, “দেখ্‌, মার খাবি। এইবেলা ওঠ্।” সে তাহাতে আরো একটু নড়িয়াচড়িয়া আসনটি বেশ স্থায়ীরূপে দখল করিয়া লইল। এরূপ স্থলে সাধারণের নিকট রাজসম্মান রক্ষা করিতে হইলে অবাধ্য ভ্রাতার গণ্ডদেশে অনতিবিলম্...

“বাঘ মামা আর শিয়াল ভাগ্নে” -এর সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর।

 সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর প্রশ্ন : শিয়াল তার পুরনো গর্তে যায় না কেন?  উত্তর : শিয়াল নরহরি দাস-এর ভয়ে পুরনো গড়তে আর ফিরে যায়নি।  প্রশ্ন : শিয়াল ভাবে, বাঘ মামা দাড়াও তোমাকে দেখাচ্ছি। – শিয়াল বাঘকে কিভাবে জব্দ করেছিল? উত্তর : শিয়ালের গর্তের কাছে একটি কুয়ো ছিল। নদীর ধার থেকে একটি মাদুর টেনে নিয়ে ওর মুখের উপর তাকে বেশ করে বিছিয়ে বাঘকে বললো মাদুরের উপর বসতে তাকে সে জলখাবার খেতে দেবে। দেখ না বাঘ লাফিয়ে মাদুরের উপর বসতে গেল সঙ্গে সঙ্গে সে কুয়োর ভেতর পড়ে গেল। তখন শিয়াল মামাকে বলে 'মামা খুব করে জল খাও, একটুও রেখো না যেন।' এইভাবে শিয়াল বাঘকে জব্দ করেছিল। প্রশ্ন : তাই বাঘ তাতে ডুবে মারা যায়নি—বাঘ কোথায় ডুবে গিয়েছিল? সে মারা যায়নি কেন? উত্তর : শিয়ালের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে একটি কুয়োর মধ্যে পড়ে গিয়েছিল। কুয়োর ভিতরে বেশি জল ছিল না তাই বাঘ ডুবে মারা যায়নি।  প্রশ্ন : বেচারি না খেয়ে না খেয়ে শেষে আধমরা হয়ে গেল।—কার কেন এরূপ অবস্থা হয়? উত্তর ঃ শিয়াল বাঘের হাত থেকে বাঁচতে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়াতে লাগল। ঠিকমতো সে খেতে পেল না। শেষে সে আধমরা হয়ে গেল। প্রশ্ন : ...

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর “টুনটুনির বই” -এর ‘নরহরি দাস’ গল্পে বাঘ ও শিয়ালের কিরুপ পরিণতি হয়েছিল বিষয়বস্তু অবলম্বনে লেখ।

 • রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর উত্তর ঃ নরহরি দাস গল্পে আমরা দেখি যে একটি ছোট্ট ছাগলছানা গর্তের ভিতরে থাকতো সে বাইরে বের হতে পারত না। যখন সে একটু বড় হল তখন সে গর্তের বাইরে বেরোলো। তার সঙ্গে দেখা হলো এক মস্ত ষাঁড়-এর। ষাঁড়টিকে দেখে সে মনে করল ওটা একটা বড় ছাগল খুব ভালো জিনিস খেয়ে সে বড় হয়েছে। সে যাঁড়-এর কাছে গিৱে জিজ্ঞেস করল ষাঁড় কি খায়?— ষাঁড় উত্তরে জানায় সে ঘাস খায়। ছাগল বলে তার মাঙ ঘাস খায় কিন্তু তার মত এত বড় নয় কেন। তখন ষাঁড় বলল তার মায়ের থেকে সে অনেক বেশি ঘাস খায়।        ছাগলছানা তখন জানতে চায় সেই ঘাস কোথায় পাওয়া যায়। ষাঁড় তখন দেখায় বনের ভিতর ঘাস পাওয়া যায়। সেই বনের ভিতরে ষাঁড় ছাগল ছানা কে নিয়ে গেল। সেই বনের ভিতরে খুব চমৎকার ঘাস ছিল। ছাগলছানার পেটে যত ঘাস ধরল সে তত ঘাস খেলো। ঘাস খেয়ে তার পেট এমন ভারী হয়ে গেল সে আর চলতে পারল না। তখন সে বনের মধ্যে একটি গর্ত দেখতে পেয়ে তার ভেতর ঢুকে পড়লো। সেই গর্তে এক শিয়াল বসবাস করত সে তখন বাঘ মামার বাড়ি নিমন্ত্রণ খেতে গিয়েছিল। সে কিরে এসে দেখল গর্তের ভিতর কিরকম একটা জতু ঢুকে রয়েছে। অন্ধকারের ভেতর ভ...